উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বেশ দাপটের সাথেই এগিয়ে চলেছে চীন। বহির্বিশ্বের কাছে বিনিয়োগ, উচ্চশিক্ষা, পর্যটন সহ প্রায় সকল ক্ষেত্রেই চীন এক নতুন আকর্ষণের নাম। আর এ সকল কারণেই চীনে বিদেশীদের আগমনও দিন দিন বাড়ছে। তবে প্রথমবারের মত যারা চীনে আসেন তাদের অনেকেই বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হন, আর এ রকম কিছু সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতেই নিন্মে কিছু পরামর্শ উল্লেখ করা হলো।
১) ভাষাগত সমস্যা- চীনা ভাষা পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় ও কঠিনতম একটি ভাষা। চীনের বিমানবন্দরে পদার্পণ করার পর পরই এ বিষয়টি আপনাকে আবার স্মরণ করিয়ে দিবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে চীনাদের ইংরেজি ভাষায় পারদর্শিতার প্রমাণ পাওয়া গেলেও সাধারণ নাগরিকদের কম সংখ্যকই ইংরেজিতে দক্ষ। তাই প্রথমবারের মত চীনে আসার আগে চীনা ভাষার উপরে প্রাথমিক কিছু দক্ষতা অর্জন করে আসলে সেটা হবে আপনার জন্যে সবচেয়ে উপকারী। সম্ভব না হলে আপনার গন্তব্য-স্থল গুলোর নাম
অলভ্য ঘোষ
শনশনে বাতাসে তিত্তির করে বয়ে যাওয়া চকচকে শুকনো বালুকা তটের মাঝখানের সরু নদীটায় পা ডুবতেই দুর্জয় কুমারের সমস্ত শরীরটায় হিমেল ঠাণ্ডা শিহরন খেলে গেল।
দুর্জয়ের গ্রামে নদী আছে দীর্ঘ বক্ষ ; পারে নামলেই পলি কাদা পাঁক। এখানে হিমালয়ের সংস্রর্বে ;গুড়ি গুড়ি পাথর আর বালি । কলকল করে পায়ের তলা থেকে সড়ে সড়ে যাওয়া জল এক হাঁটুও নয় । যেন আঠার বছরের তরুণী । দুর্জয়ের গ্রামের নদী মা গঙ্গা পৌঢ়া তম্বী । দূরে ছাগল বাঁধছিল কালো পেসুটে চেহারার একটা মেয়ে । দুর্জয়ের নদীটার নাম জানার ইচ্ছে হলো । হাঁক পারলো ;
- এই নদী টার নাম কী ?
]]>
গত এপ্রিল মাসে হয়ে যাওয়া বেইজিং অটো শো-তে দশ হাজারেরও বেশি হীরা দিয়ে তৈরি পোশাক পরে চীনা মডেল লি ইং চ্রি (Li Ying Zhi) জায়গা করে নেন বিশ্বের বিভিন্ন জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমে। ২২ বছর বয়সী এই বি এম ডব্লিউ মডেলের উচ্চতা ১ দশমিক ৭৭ মিটার। চীনের ছিংতাও বংশোদ্ভূত এই মডেলকে “ছিংতাও এর সৌন্দর্য” বলেও আখ্যায়িত করা হয়।
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনু্যায়ী এই জামা তৈরিতে দশ হাজারেরও বেশি হীরা ব্যবহার করা হয়েছে এবং ওজন প্রায়
]]>উঃ বাংলাদেশী পাসপোর্ট-ধারীরা শুধুমাত্র বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে তাদের পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন করতে পারবেন।
২) ডাকযোগে পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর কোনো ব্যবস্থা কি আছে?
উঃ ডাকযোগে পাসপোর্ট নবায়ন ও সংশোধন এর সুবিধা আছে কিন্তু সংযোজন এর ক্ষেত্রে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
]]>
গত ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১২ শিয়ামেন ইউনিভার্সিটি, ফুজিয়ান, চীন এ আন্তঃর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কে আন্তঃর্জাতিক ভাবে উদযাপন করে শিয়ামেন ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীরা। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও আরো ১০-১২ টি দেশ অংশগ্রহন করে। প্রথম এ স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর নিয়া তিনিং, ডেপুটি ডীন আন্তঃর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ। মাতৃভাষা দিবস ও এর ঐতিহাসিক পটভূমি তুলে ধরেন জনাব এটিএম আব্দুর রউফ, এমএ ছাত্র আন্তঃর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ। বৈশ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে মাতৃভাষা রক্ষার গুরুত্ত্ব তুলে ধরেন প্রফেসর শাই শুয়েচিন, আন্তঃর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং চীন এর দৃষ্টিকোণ থেকে মাতৃভাষা রক্ষার গুরুত্ত্ব তুলে ধরেন প্রফেসর ওয়াং হু, আন্তঃর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ। শিয়ামেন ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রফেসর চং পিউ। এরপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রথমে (আমার ভাই এর রক্তে রাঙানো.........)
মালি একটা আফ্রিকান দেশ। কালো মানুষের ঘনবসতি। জীবনযাত্রায় দরিদ্রতা মিশে থাকে। ছেলেমেয়েরা বর্ণবৈষম্য নিয়েই বেড়ে ওঠে পৃথিবীর বুকে। সেখানকার একঘর মুসলিম, আচার পালন করতে জীবন বাজি রাখে। জীবনের কঠিন ফ্রেমে বন্দী করে সব সুখ। সেই পরিবারটির সব থেকে ছোট ছেলে, আলাসিন ৫ ফুট পেরিয়ে ৬ ফুট ছুঁই ছুঁই। মাথার চান্দি ছিলা নামমাত্র একগাছা কোকড়া চুল। সেদিন সেটাও ছেঁটে দিয়েছে বোকা চৈনিক নাপিত। ছেলেটি বাড়িঘরের মায়া কাটিয়ে এতদূর দেশে এসেছে পড়তে। আমার সাথেই পড়ে। একসাথে যাওয়া আসা, অল্প কথায় কিছু উত্তর, কিছু প্রশ্ন। তাও আবার কিছু চাইনিজে, কিছু ইংরেজিতে। সব সময় দেখেছি ওর শান্ত চেহারায় ভয়ের ছাপ। হাটাচলায় কিসের যেন একটা কুন্ঠা। কখনও জিজ্ঞাসা করা হয়নি। নামায, মুসলিম ক্যান্টিনের খাবার, আর একটা পাঞ্জাবী গায়ে ওর সরল চলাফেরা আমাকে বলে দিত, ওর কষ্টটা আসলে অন্য জায়গায়। কোন আনন্দ নিয়ে মেতে থাকতে দেখিনি কোনদিন। এমনকি চেষ্টা করেও সফল হইনি ।
]]>
আজ থেকে সতেরো-আঠারো বছর আগের কথা – মনোরম গ্রীষ্মের বেইজিং। শীতে যখন গৃহবন্দী, গ্রীষ্মে তখন সত্যি পাখা মেলে উড়তে ইচ্ছা করে। সেই রকমই একটি দিনে সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছি অজানার উদ্দেশে, যেন অনেকটা দু’চোখ যেদিকে যায় চলে যাওয়া। বৈকালিক ঝিরিঝিরি বাতাস আর গাছের ছায়ায় প্রশান্তিময় সেই সময়ে সাইকেল ভ্রমণটা যেন এক অপার্থিব আনন্দের বার্তা বয়ে আনে। বিকেল মানেই সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়া। প্রকৃতির এই আনন্দযজ্ঞের আহ্বান রোখে কার সাধ্য। সেই রকম একটি দিনে সাইকেলে যেতে যেতে হঠাৎ থমকে দাড়ালাম চি শুই থান নামের জায়গায় – একটি দোতলা বাড়ির সামনে। আর চোখ আটকে গেল বাড়ির সামনের একটি আবক্ষ ভাস্কর্য প্রতিকৃতির মাঝে।
]]>
এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে, বেইজিং এখন বিশ্ব শিল্পকলার অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে বেইজিং-এর গুরুত্ব ক্রমশ বেড়েই চলেছে। পৃথিবীবিখ্যাত বড় বড় মিউজিয়ামের ট্রাভেলিং এক্সিবিশন-এর তালিকায় বেইজিং-এর নাম অনেক আগেই উঠে গেছে। বেইজিং-এর মিউজিয়ামগুলোর অবকাঠামোগত ভাবেও হয়েছে ঈর্ষণীয় উন্নতি। দু হাজার আট সালের অলিম্পিক অবশ্য বেইজিং শহরটিকেই যেন এনে দিয়েছে অন্য এক মাত্রা। ইতিমধ্যে এই শহরে ঘুরে গেছে রদ্যাঁ, দালি সহ আরো সব বিখ্যাত শিল্পীরা (মানে তাঁদের শিল্পকর্ম)। কয়েক মাস আগে দেখলাম জার্মান শিল্পী রিখটার-এর সারা জীবনের কাজ। আর এই সব প্রদর্শনীর মূল আয়োজক চীনের জাতীয় প্রদর্শনশালা “ন্যাশনাল আর্ট মিউজিয়াম অব চায়না”, আগে যার নাম ছিল চায়না আর্ট গ্যালারি। এই মিউজিয়ামটিই এখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নানামুখী শিল্প-কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র।
যখন থেমে গেল কারখানার বাঁশি